শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯

৫৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করতে যাচ্ছে সরকার


প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে। এর মধ্যে মামলা জটিলতায় মাত্র ৩৪টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়নি। জাতীয়করণের ঘোষণায় বলা হয়েছিল- নতুন করে আর কোনো স্কুল জাতীয়করণ করা হবে না। স্কুলের প্রয়োজন হলে সরকারিভাবে স্থাপন করা হবে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেজিস্টার্ড স্কুল জাতীয়করণের ঘোষণা দিলে রাতারাতি সারাদেশে অসংখ্য স্কুল গড়ে ওঠে। অনেক মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী ব্যক্তি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী শর্ত পূরণের পরেও চার হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়ে। বাদ পড়া বিদ্যালয় জাতীয়করণ করতে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা চাপ দিচ্ছেন সরকারকে। জাতীয়করণের সঙ্গে স্থানীয় ভোটের রাজনীতি জড়িত বলে সরকারের সর্বোচ্চ মহলকে তার বোঝাচ্ছেন। সফলও হয়েছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নতুন করে বিদ্যালয় জাতীয়করণের উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি মো. দেলওয়ার হোসেন বলেন, ‘সরকারি করতে মন্ত্রণালয়ের যাছাই-বাছাই করা দুই হাজার ৯০০ স্কুল রয়েছে। এছাড়া ৪০০ স্কুলের শিক্ষার্থীরা ২০১৭ সালের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আট শতাধিক স্কুলের আবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা আছে। সব মিলিয়ে সাড়ে পাঁচ হাজার বেসরকারি স্কুল আছে। ২০১২ সালের আগে থেকেই এসব স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সব শর্ত পূরণ করা এসব স্কুল সরকারি করতে হবে।’ 

© সংগৃহীত

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

৫৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করতে যাচ্ছে সরকার

প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি রেজিস্টার্ড  প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ  ...